বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি

জাপানে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়ার বিশাল সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। জাপানে চল্লিশ বছর ধরে বসবাসকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বিজিএমইএ-র উপদেষ্টা কাজী সারওয়ার হাবিব এ কথা জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে টোকিওর তারকা হোটেল নিউ ওতানিতে নয়া দিগন্তের সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। বাংলাদেশ বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করলেও জাপানের বাজারে আমরা এখন পর্যন্ত মাত্র ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পেরেছি। তবে বিজিএমইএ-তে ‘জাপান ডেস্ক’ ওপেন হয়েছে এবং জাপানি রাষ্ট্রদূত বিজিএমইএ ভিজিট করেছেন। ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট বা ইপিএ-র আওতায় প্রায় ৭,৩৯৮টি পণ্য বা রফতানি পণ্যের ৯৮ শতাংশ ট্যাক্স ফ্রি সুবিধা পাচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে জাপানি বাজারে তৈরি পোশাক রফতানি ৩ থেকে ৫ বিলিয়নে উন্নীত করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই জাপান সফরকে একটি স্বপ্নের মতো সফর হিসেবে অভিহিত করেছেন কাজী সারওয়ার হাবিব। টোকিওতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সাথে জাপানি ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দের অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এই সফরে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের যে সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। জাপানি বিনিয়োগকারী ও বায়ারদের বাংলাদেশে ধরে রাখতে ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

জাপানে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়ার বিশাল সম্ভাবনা