উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানব খবর, ডেস্ক রিপোর্ট ||
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদফতর। পাঁচ বছর মেয়াদি ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ও পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের ঘাটতি রয়েছে এবং অনেক বাঁওড় অগভীর হয়ে যাওয়ায় মাছের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয়ের উন্নয়ন, সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলা এবং নব্বইয়ের দশকের মৎস্যজীবী সমিতিগুলোর সদস্যতালিকা হালনাগাদ করা হবে। এর ফলে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অন্তর্ভুক্তি ও মাছ আহরণের সুফল সুষমভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যশোরের জেলা প্রশাসক ওই অঞ্চলের বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর, বর্তমান সরকারের সময়ে জনবল কাঠামোর অনুমোদন সাপেক্ষে ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় ও কার্যক্রম মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খননে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি এবং ছয়টি জরাজীর্ণ অফিস ভবন পুনর্নির্মাণে ৭ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় এসব বিষয় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।