উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানব খবর, ডেস্ক রিপোর্ট ||
আড়াই সপ্তাহের ব্যবধানে দুজনকে পদ ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে সরকার ও দলের ভেতরে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার ও বিএনপির দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মূল্যায়ন অনুযায়ী এই বার্তা মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতা-কর্মী সবার জন্য প্রযোজ্য। ক্ষমতার দাপট দেখানো কিংবা দায়িত্বের সীমা ছাড়িয়ে সরকার ও দলকে বিব্রত করলে পদ ধরে রাখার নিশ্চয়তা কারও নেই। রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নাম আসার পর সংসদ সদস্য পদ ছাড়তে হয়েছিল ফেরদৌসী আহমেদকে। অন্যদিকে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্ক তৈরি করেন ইশরাক। গত রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান যে শান্তিশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই এবং প্রধানমন্ত্রী বারবার এই বার্তাই দিচ্ছেন। মন্ত্রিসভার একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন যে ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে দাম্ভিকতা দেখাতে না পারেন, সে জন্য কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় করার পরিবর্তে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অভিযানে নামা সরকারকে বিব্রত করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ডে বিএনপি ও সরকারের মধ্যে অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থানকে অন্যদের জন্য সতর্কসংকেত হিসেবে দেখছে সরকার ও দলের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো।