উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানব খবর, ডেস্ক রিপোর্ট ||
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল লেনদেনের তুলনায় নগদ লেনদেনে ব্যয় প্রায় ২৮ গুণ বেশি। ২০২৩ সালে দেশে নগদ লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার বার্ষিক ব্যয় ছিল পাঁচ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গবেষণায় বলা হয়েছে, নগদ লেনদেনের কারণে ব্যাংকগুলোকে বছরে প্রায় ৩৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়। এছাড়া ভোক্তাদের এ-সংক্রান্ত বার্ষিক ব্যয় ২৮ হাজার কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব নগদ ব্যবস্থাপনা ব্যয় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। মাথাপিছু হিসাবে বছরে নগদ লেনদেনের ব্যয় নয় হাজার ৯৩৮ টাকা ও ডিজিটাল লেনদেনে মাত্র ৩৪৮ টাকা। ছায়া অর্থনীতির কারণে বছরে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ৯৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারে প্রধান বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া বেশি মাশুল এবং ইন্টারনেট সংযোগের অনির্ভরযোগ্যতা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলা কিউআর লেনদেনে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়লে ব্যাংক নোট ছাপানো ও পরিবহনের ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। তবে নগদনির্ভরতা থেকে উত্তরণের জন্য গ্রাহক সুরক্ষা জোরদার ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানো গেলে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে লেনদেনের ব্যয় কমানো সম্ভব।