উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানব খবর, ডেস্ক রিপোর্ট ||
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে তিনি বলেছেন যে চোর ও চোরের সর্দার উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আজ শনিবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। আজ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এবং এ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে আজ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা এবং পরে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক ও প্রশাসন অধিশাখার উপসচিবকে সদস্যসচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। ওই অফিস আদেশ ফেসবুকে শেয়ার করে হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, যারা চুরি করে, তাদেরকেই চোর ধরার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাকেই বানানো হয়েছে এই চোরদের সর্দার। পোস্টে হাসনাত আরও লিখেছেন, চোর ও চোরের সর্দার উভয়েরই শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং এই প্রহসনের নাটকীয় যেমন খুশি তেমন সাজো কমিটি বাতিল করতে হবে।