উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানব খবর, ডেস্ক রিপোর্ট ||
আজ ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস। পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, সুষম খাদ্যাভ্যাসে ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং সবার জন্য পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির ৩০তম বার্ষিকী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রোটিন দ্যাট পাওয়ার্স অ্যান্ড প্রোটেক্টস’ বা শক্তি জোগায় ও সুরক্ষা দেয় যে প্রোটিন। ডিম একটি সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার, যাতে উচ্চমানের প্রোটিনসহ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের বৃদ্ধি, পেশি গঠন ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সুস্থ থাকতে ডিমের পাশাপাশি শাকসবজি, ফল, ডাল ও দুধের সমন্বয়ে বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০৯ কোটি ডিম উৎপাদিত হয়েছে, যেখানে বার্ষিক চাহিদা ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫৫ কোটি। পোলট্রি খাত দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সাথে সরাসরি যুক্ত। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের টিকিয়ে রাখা, নিরাপদ উৎপাদন এবং বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা গেলে এ খাতের স্থিতিশীলতা বাড়বে। এছাড়া ডিম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি।