উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
News Agent ||
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার স্বাক্ষরিত দলীয় তালিকার সাথে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তালিকার হুবহু মিল পাওয়া গেছে। গত ৯ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কৃষি অর্থনীতিবিদ শাহনাজ আখতার স্বাক্ষরিত তালিকায় বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রকাশিত এই অনুমোদন অনুযায়ী, ৮টি ইউনিয়নে তালিকার এক নম্বর এবং একটি ইউনিয়নে দুই নম্বর ব্যক্তিকে সারের ডিলারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপি সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার স্বাক্ষরিত তালিকায় কল্যাণী ইউনিয়ন থেকে জিকরুল আমিনকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছিল এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ও তাকে বেলি ফার্টিলাইজার নামক প্রতিষ্ঠানের ডিলার অনুমোদন দিয়েছে। কান্দি ইউনিয়ন থেকে আতাউর রহমানকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হলে মন্ত্রণালয় মেসার্স সান ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানের ডিলার হিসেবে তাকে অনুমোদন দেয়। পারুল ইউনিয়ন থেকে আব্দুল মতিন সরকারকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখার পর মন্ত্রণালয় নুহা ট্রেডার্সের ডিলার হিসেবে তার নাম অনুমোদন করে। কৈকুড়ী ইউনিয়ন থেকে মীর তৌফিক হাসানকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হলে মীর তৌফিক ট্রেডার্সের ডিলার হিসেবে তাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ছাওলা ইউনিয়ন থেকে মো: জাকির হোসেনকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখার পর মেসার্স আয়মান ট্রেডার্সের অনুমোদন দেওয়া হয়। ইটাকুমারী ইউনিয়ন থেকে মো: আলিমুদ্দিন ময়েন মোল্লার নাম ২ নম্বর ক্রমিকে থাকলেও মন্ত্রণালয় তাকে ১ নম্বর ক্রমিকে সার ডিলার অনুমোদন দেয় এবং অন্নদানগর ইউনিয়ন থেকে জয়িতা আক্তার জিনিকে ১ নম্বর ক্রমিকে রেখে জয়িতা সার বিতানের অনুমোদন দেওয়া হয়। তাম্বুলপুর ইউনিয়ন থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ডালেসের স্ত্রী মোছা: সুইটি বেগমকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হলে মেসার্স শামান্তা অ্যান্ড সিফা ট্রেডার্সের ডিলার হিসেবে তাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। পীরগাছা সদর ইউনিয়ন থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার স্ত্রী মোছা: সুলতানা ফেরদৌসিকে ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হলে রিয়া এন্টারপ্রাইজের ডিলার হিসেবে তাকেও অনুমোদন দেওয়া হয়। এই ডিলার নিয়োগে প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাউর হয়েছে।